আজকের প্রেক্ষাপটে ভার্জিনিটি দৃঢ়ভাবে বিতর্কিত অংশ, কিন্তু এটা প্রত্যেকের নিজস্ব পছন্দ। কোন মানুষের কুমারীত্ব নিয়ে কথা বলার সময় বা প্রশ্ন করার সময় আমাদের মানুষের সময়, অবস্থা এবং মানসিকতা দেখা/বিবেচনা করা উচিত।
আমি বিশ্বাস করি কোন মেয়ে ভার্জিন কি না কেবল সে মেয়েই আপনাকে বলতে পারে, কেউ এটি পরীক্ষা বা ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারবে না!
সতী বা কুমারী মেয়ে চেনার অন্যতম উপায় হলো তার সতী পর্দা অক্ষত আছে কিনা সেটা দেখে নিশ্চিত হওয়া। আমরা সবাই চাই একজন সতী বা কুমারী মেয়ে যেনো আমাদের সঙ্গী হয়, তাই আমাদেরে এই বিষয়ে আগ্রহের কমতি থাকে না। আজকের লেখাতে আমরা জানবো ভার্জিন মেয়ে কি বা কারা, ভার্জিন মেয়ে চেনার কৌশল সম্পর্কে বিস্তারিত।
তাহলে দেরী না করে চলুন জেনে নেই ভার্জিন মেয়ে চেনার কৌশল, সতী বা কুমারী মেয়ে চেনার সহজ উপায় কি? বা Virgin মেয়ে কাকে বলে।
Virgin মেয়ে কাকে বলে
যে মেয়েকে পরপুরুষ কখনো স্পর্শ করেনি, যে নারীর সতী পর্দা এখনো অক্ষত সেই Virgin মেয়ে, Virgin কে বাংলায় কুমারী বলা হয়ে থাকে, অনেকে আবার সতী’ও বলে থাকে।
সতী পর্দা কি?
ভার্জিন মেয়ে চিনতে হলে প্রথমেই আপনাকে চিনতে হবে সতীচ্ছদ পর্দা সম্পর্কে, একে ইংরেজীতে hymen বলে থাকে। বাংলাতে অনেকে আবার একে যোনিচ্ছদ বলে থাকেন। তো এই যোনিচ্ছদ পর্দাটা মেয়েদের যোনীকে ঢেকে রাখে, যার ফলো খালি চোখ দিয়ে যোনীর ভিতর তো দেখাই যায় না এমন কি কোন কিছু প্রবেশ করানো যায় না।
কোন মেয়ে পুরুষের সাথে মিলন কিংবা সতীচ্ছদ পর্দার জায়গায় কোন ধরনের আঘাতের ফলে এই যোনিচ্ছদ পর্দা ফেটে যেতে পারে। এখানে হচ্ছে সবচেয়ে মজার বিষয়, কোন মেয়ের যদি দুর্ঘটনায় এই পর্দাটা ফাটিয়ে ফেলে তাহলে তাকে কুমারী হিসাবে বিবেচনা করা হয় না।
নিচের ফটোতে হাইমেন চিহ্নিত পর্দাটাই হলো সতীচ্ছদ পর্দা। ফটোতে দেখা যাচ্ছে এই পর্দাটা খোলা আছে, তার মানে এই যোনি ভার্জিন না, যদি ভার্জিন হতো তাহলে Vaginal opening ছিদ্রটা দেখতে পারতেন না।
সতী পর্দা কি কি কারণে ফেটে যেতে পারে?
অনেক কারণেই মিলন ছাড়া সতীপর্দা ফেটে যেতে পারে, তাই মেয়েদের এই বিষয়টা গুরুত্বের সাথে দেখা উচিত, আমাদের দেশের অনেক মানুষ না বুঝে অনেক নিষ্পাপ মেয়েদের এইসব বিষয় নিয়ে অনেক ধরনের অত্যাচার করে থাকেন। তবে সত্য হচ্ছে নিচের যেকোন কারণে মেয়েদের সতী পর্দা ফেটে যেতে পারে, তবে সেই মেয়ে যদি কারো সাথে মিলন না করে সে তখনো ভার্জিন মেয়ে।
১। সাইকেল চালানো
২। সাতার কাটা
৩। গাছে উঠা
৪। যৌনিতে কোন ধরনের শক্ত আঘাত পেলে
৫। অতিরিক্ত দৌড়াদৌড়ির ফলে
৬। দড়ি লাফ খেলেয়ার কারণে
৭। ফুটবল খেলতে যেয়ে
উপরোক্ত কারণ ছাড়া আরো নানা কারণে ভার্জিন মেয়েদের সতী পর্দা ফেটে যেতে পারে।
ভার্জিন মেয়ে চেনার উপায়
কুমারী মেয়ে চেনার জন্যে সবচেয়ে কার্যকারী উপায় হলো যোনিচ্ছদ পর্দাটা আছে কিনা সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া, তবে এই উপায়েও অনেক সময় ভুল হয় যেমন আগে আলোচনা করা হয়েছে। তবে চলুন এছাড়াও যেসব উপায়ে বুঝবেন কোন মেয়ে কুমারী কি না সেসব বিষয়গুলি দেখে নেইঃ
১। প্রথম মিলনে রক্তপাত হবে, মেয়েটি ব্যাথায় চিৎকারও করতে পারে।
২। যোনী অনেক শক্ত থাকবে এমনকি মানব শিশ্ন ভিতরে প্রবেশ করাতে অনেক কষ্ট হবে।
৩।প্রথম মিলনে মেয়ের খুব পানি পিপাসা লাগবে, অল্পতেই ঘেমে যাবে।
৪। নাক, মুখ, কান লাল ও গরম হয়ে যাবে
৫। ঘন ঘন শ্বাস নিবে
৬। যৌন ক্রিয়াকলাপের সময় অস্বস্তিবোধ করবে
৭। নিজের যৌন অভ্যাস সম্পর্কে সচেতন নয়
তো উপরের বিষয়গুলি খিয়াল করলে অন্তত আন্দজ করতে পারবেন কোন মেয়ে ভার্জিন কি না।
যেসব বিষয় থাকলে বুঝবেন সে কুমারী নয়
কোন মেয়ের মধ্যে যদি নিচের বিষয় খিয়াল করেন তাহলে বুঝে নিবেন সে কুমারী নয়
১। যোনি পর্দা তো নাই সেই সাথে যোনি মুখ খোলা, এবং খুব সহজেই ভিতর দেখা যায়।
২। প্রথম মিলনে রক্তপাত হবে না, সেই সাথে মেয়েটি কোন ধরনের ব্যথা পাবে না।
৩। আপনার শিন্ন কোন ধরনের বাধা ছাড়া ভিতরে প্রবেশ করবে।
৪। যৌনতা বিষয়ে গভীর জ্ঞান থাকলে।
৫। যৌনতা উপভোগ করলে।
তো এসব বিষয় দিয়ে আপনি আন্দাজ করতে পারবে আপনি কেমন মেয়ে পেয়েছেন।
পরিশেষে
মূলত কোন মেয়ে ভার্জিন কি না এ বিষয়টা দিয়ে কোন মেয়েকে বিচার করা শুধু বোকামিই নয় সেই সাথে এক ধরনের বলদামি। পুরুষরা বিয়ের আগে নানান ধরনের কিচ্চা কাহিনী করে অথচ কোন মেয়ে ফুটবল খেলে ভার্জিনিটি হারালে তাকে সহজভাবে মেনে নিতে চায় না।
আবার দেখা গেছে অনেক পুরুষ বিয়ের আগে নিয়মিত অন্য মেয়েদের কল্পনা করে হস্ত মৈথুনের করে, অথচ নিজের বৌয়ের সতীত্ব নিয়ে এক ইঞ্চি ছাড় দিতে রাজী নয়।
আসল কথা হলো বিয়ের পর এইসব বেশি কড়াকড়ি করলে সংসার জীবন তো মধুর হবেই না বরং সংসারে নেমে আসবে অশান্তি। তাই যা পেয়েছেন তাকে যত্ন করে নিজের মতো করে নেওয়া অনেক বুদ্ধিমানের কাজ।
তো বন্ধুরা আজকের মতো সাবাই ভালো থাকুন, দেখা হবে আগামী লেখাতে।